Select a variation to check stock
Description
শুকরের নাড়িভুঁড়ি (নাড়ি, ভুঁড়ি, কলিজা ইত্যাদি) এর পুষ্টিগুণ
শুকরের নাড়িভুঁড়ি প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ হলেও এতে কোলেস্টেরল ও পিউরিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
পুষ্টিগুণ
🥩 উচ্চমানের প্রোটিন: শরীরের টিস্যু গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে।
💪 আয়রন সমৃদ্ধ: রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে এবং রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
🧠 ভিটামিন B12: স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ।
⚡ জিঙ্ক: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে।
🌾 সেলেনিয়াম: শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
🦴 ফসফরাস: হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সহায়ক।
উপকারিতা
শক্তি ও পুষ্টির ভালো উৎস।
শরীরের পেশি গঠনে সহায়ক।
রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
সতর্কতা
এতে কোলেস্টেরল ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকতে পারে, তাই হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
গাউট বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড থাকলে নাড়িভুঁড়ি কম খাওয়াই ভালো, কারণ এতে পিউরিন বেশি থাকে।
সবসময় ভালোভাবে পরিষ্কার করে সম্পূর্ণ সিদ্ধ বা রান্না করে খেতে হবে, যাতে খাদ্যবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।